1. [email protected] : admin :
বাদ পড়া ৫,০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ - সত্য ও ন্যায়ের কথা বলে
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫০ পূর্বাহ্ন

বাদ পড়া ৫,০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ২৫৪ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বিনাবেতনে অজপাড়াগাঁয়ের কোমলমতি শিশুদের আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন বাদ পড়া ৫,০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০ হাজার শিক্ষক। উচ্চশিক্ষিত (অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রিধারী)এসব শিক্ষকের জীবন আজ চরম অবহেলা, অনাহার ও বৈষম্যের এক করুণ আলেখ্য। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রেজিস্ট্রেশন এবং শিক্ষকদের বেতন-ভাতা চালু করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। বাদ পড়া বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ৫৩৪টি বিদ্যালয় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার নামে প্রতিষ্ঠিত। ভুক্তভোগী শিক্ষকেরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান (এমপি)এর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন-২০ হাজার শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ করে তাদের পরিবার নিয়ে দু’মুঠো ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে জাতীয়করণের নির্দেশনাসংক্রান্ত চিঠি জারি করা হয়। ১১টি জেলা ও ১১টি উপজেলায় সরজমিনে যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। অনুমোদন ও কমিটি: মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কনসালটেশন কমিটি ৫,০০০ বিদ্যালয় জাতীয়করণের লক্ষ্যে অনুমোদন দেয়, যেখানে উপদেষ্টা, সচিব, উপসচিবসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা স্বাক্ষর করেন। কম খরচে বিপুল কর্মসংস্থান: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি জেলায় গড়ে ৭৯টি করে বিদ্যালয় জাতীয়করণের আওতায় আসবে। ২০ হাজার শিক্ষকের জন্য সরকারের বাৎসরিক ব্যয় মাত্র ৪০ কোটি টাকা যা বর্তমান সরকারের জন্য বড় কোনো আর্থিক বোঝা নয়, অথচ এতে ২০ হাজার পরিবারে ফিরবে স্বচ্ছলতা। এসব বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত প্রায় ৮ লক্ষাধিক কোমলমতি শিশু উপবৃত্তি ও মিড-ডে মিলের মতো মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
মানবেতর জীবনযাপন:

প্রতি মাসে সংসার চালাতে যেখানে ১৫-২০ হাজার টাকা প্রয়োজন, সেখানে শিক্ষকেরা টানা ১৩ বছর একটি টাকাও পাচ্ছেন না। বাধ্য হয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি অনেককে টিউশনি, অটো রিকশা চালানো কিংবা রাতে সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করতে হচ্ছে।
চিকিৎসা ও ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা:বিনা বেতনে অনেক শিক্ষক ইতোমধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছেন, অনেকে অবসরে গেছেন। আর যাদের বয়স শেষ পর্যায়ে, তাদের অন্য কোথাও চাকরি পাওয়ার কোনো উপায় নেই। অর্থাভাবে তারা অসুস্থ মা-বাবার চিকিৎসা কিংবা নিজের সন্তানের পড়াশোনার খরচ চালাতে পারছেন না।”শিক্ষকতা একটি মহান পেশা। প্রাথমিক শিক্ষার শক্ত ভিত গড়ে দেওয়া এই শিক্ষকদের বেতন-ভাতার জন্য রাজপথে ধুলাবালির মাঝে পড়ে থাকতে হচ্ছে যা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। আমাদের আকুল আকুতি, অবিলম্বে ২০ হাজার শিক্ষকের চাকরি জাতীয়করণ করে সমাজে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করা হোক।”বিনীত,সাদ্দাম হোসেন রুহান মন্ডল যুগ্ম মহাসচিব,বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি (কেন্দ্রীয় কমিটি) ঢাকা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন

স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত-২০২৩-২০২৬,স্মার্ট টিভি,র ওয়েবসাইটের লেখা,ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

Developer By Zorex Zira