1. [email protected] : admin :
গাইবান্ধা জেলার সকল শ্রেণীর পেশার মানুষ ব্যস্ত ভোটের চিন্তা নিয়ে তখন প্রকৃতি আপন মহিমায় সাজাচ্ছে আমের মুকুলে  - সত্য ও ন্যায়ের কথা বলে
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন

গাইবান্ধা জেলার সকল শ্রেণীর পেশার মানুষ ব্যস্ত ভোটের চিন্তা নিয়ে তখন প্রকৃতি আপন মহিমায় সাজাচ্ছে আমের মুকুলে 

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৬ Time View
oplus_0
শাহিন নুরী,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা জেলায় মধু মাস ঋতুরাজ বসন্ত আসার আগাম বার্তা নিয়ে এসেছে আম গাছে মুকুল। বর্তমানে গাইবান্ধা জেলার প্রতিটি বাড়িতে আমের মুকুলের গন্ধে মৌ মৌ করছে । গাইবান্ধা জেলা শহরের  সবচেয়ে ব্যস্ত জায়গা হচ্ছে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়। প্রতিদিন প্রকৃতিতে অনেক ফুল চোখে পড়লে ও দৃষ্টিনন্দন পাগল করা মুকুল এর ঘ্রাণে চোখে পড়েছে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের চত্বরের আমের বাগানে। উল্লেখ্য প্রতিদিন অনেক খবর আসে পত্রপত্রিকা সহ অসংখ্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ায়। গাইবান্ধার কয়েকজন সুধী মানুষকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে পত্র- পত্রিকা জুড়ে ইলেকট্রনিক মিডিয়া তো শুধু আমরা নির্বাচনের খবর দেখতে পাচ্ছি। সাংবাদিকরাও ব্যস্ত নির্বাচনের খবর সংগ্রহ করতে। কিন্তু সেই ফাঁকে ব্যস্ত সময় পার করছে প্রকৃতি। যে প্রকৃতিতে আপন মহিমায় ফোটা শুরু করেছে আমের মুকুল। নির্বাচনের পর্যবেক্ষণ কার্ড সংগ্রহ করতে গিয়ে চোখে পড়ে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের দ্বিতল ভবন থেকে আমের গাছের বাগানের দিকে। চোখ জুড়ানো আমের মুকুল দেখে হাতে থাকা ক্যামেরা দিয়ে স্থির ছবি তুলতে অন্য সাংবাদিক ভুল করলেও ভুল করিনি সাংবাদিক শাহিন নুরীর ক্যামেরা। আরো উল্লেখ্য যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গাইবান্ধার পরিতক্ত ছাদগুলো রূপান্তরিত হয়েছে ছাদ বাগানে। সেই ছাদবাগানের ফাঁক দিয়ে মাটি থেকে  উঠে আসা আমের গাছগুলোতে মুকুল যেন সাজিয়েছে নির্বাচনে ব্যস্ত সময়ের পার করা জেলা প্রশাসন ব্যস্ত থাকলেও জেলা প্রশাসনের চত্বরে থাকা আমের গাছগুলো ভুল করেনি প্রকৃতি শোভায় মুকুল ছড়াতে । আমের মুকুল গুলো পরিণত হয়েছে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসনের ছাদের শোভা ও ঘ্রাণে। গাইবান্ধার বর্তমান জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে ব্যস্ত সময় পার করছেন মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা। কিন্তু তার চিন্তা থেকে বাদ যায়নি ছাদ বাগানের যত্ন ও আমের মুকুলের যত্নে।  গাইবান্ধা জেলার প্রতিটি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে হরেক রকমের  সুস্বাদু আমের চাষ। বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ের স্পন্দনে মিশে থাকা জাতীয় সংগীতের  একটি লাইনে বিশ্ব কবি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন “ও মা,  ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রানে পাগল করে, মরি হায়, হায় রে -ও মা ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রানে পাগল করে” । পল্লীকবি জসীম উদ্দিন তার মামার বাড়ি কবিতার লিখেছেন আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই, ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। ঝড়ের দিনে মামার দেশে  আম কুড়াতে সুখ, পাকা আমের মধুর রসে রঙিন করি মুখ…।
মধুমাসের স্বাদ নিতে বাকি আর মাত্র কয়েক মাস। তবে মুকুলের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গের জেলা গাইবান্ধাতে। গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ গন্ধ। যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল।
গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে দেখা মিলছে আমের মুকুল, গ্রামগুলোর মধ্যে খালি জায়গা, পুকুর পাড়, রাস্তার ধারে ও বাড়ির আঙ্গিনার গাছগুলোতে শোভা পাচ্ছে কেবলই আমের মুকুল। মুকুলে মুকুলে ছেঁয়ে আছে গাছের প্রতিটি ডালপালা। চারদিকে ছড়াচ্ছে সেই মুকুলের সুবাসিত পাগল করা ঘ্রাণ। তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরা। এদিকে, মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুলে ভরে গেছে বাগানসহ ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছগুলোতে। তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। সেই মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে বাগান মালিকদের চোখে ভাসছে স্বপ্ন। আম্রপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি অন্যতম। ইতিমধ্যে এসব গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরও কয়েক সপ্তাহ লাগবে।
আমের গাছ লাগানো কয়েকজন কৃষক বলেন, মুকুল আসার পর থেকেই তারা গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুল রোগ বালাইয়ের আক্রমন থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তারা। কবির ভাষায় বলতে হয় মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় বেঁচে থাকলে বদলায় ক্ষণে বদলায় কালে বদলায় সময়ের পালা বদলে মানুষ যখন শুধু দেশই আমের উপর নির্ভরশীল ছিল এখন আর সেই মানুষগুলো সময়ের পালাবদলে সেই দেশি আমের উপর নির্ভরশীল নেই প্রকৃতিতে এখন বারোমাসি আমের ও চাষ করছেন। সময়ের পরিবর্তনে আধুনিক সমাজের জীবন্ত মানুষ গুলো প্রকৃতিতে রোপন করছেন নানান জাতের আমের চারা। তাইতো প্রকৃতিতে ফুল ও ফলে ভরে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন

স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত-২০২৩-২০২৬,স্মার্ট টিভি,র ওয়েবসাইটের লেখা,ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

Developer By Zorex Zira