1. [email protected] : admin :
রাজধানীর বাজারে কমেছে মুরগি ও সবজির দাম, বেড়েছে ডিম - সত্য ও ন্যায়ের কথা বলে
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ন

রাজধানীর বাজারে কমেছে মুরগি ও সবজির দাম, বেড়েছে ডিম

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৫ Time View

অর্থনীতি ডেস্কঃ

রাজধানীর বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম কমেছে। শীতকালীন নতুন সবজিও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় কম দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে সপ্তাহের শুরুতে কমে আসা ডিমের দাম আবার বেড়েছে। এদিকে বোতলজাত সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহ সংকট এখনো দূর হয়নি। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

বাজারে ডিমের দামে ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৬০ টাকা থেকে কমে ১৪০ টাকায় নেমেছিল। তবে এখন তা বেড়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম বিক্রেতাদের ভাষ্য, গত সপ্তাহে টানা ছুটির কারণে দাম কমেছিল। পরে আবার প্রতি ডজনে ১০ টাকা বেড়েছে।

অন্যদিকে, মুরগির বাজারে গত সপ্তাহের মতো দাম বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে না। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে কেজিপ্রতি দাম প্রায় ২০ টাকা বেশি ছিল। একইভাবে সোনালী মুরগির দামও কমে কেজিপ্রতি ৩৩০ থেকে ৩৪০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। গত সপ্তাহে এই মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছিল।

সবজির বাজারে অবশ্য দামের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। গ্রীষ্মকালীন কয়েক ধরনের সবজির দাম এখনো বেশি থাকলেও শীতের নতুন সবজি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। বাজারে আসতে শুরু করা ফুলকপি ও বাঁধাকপি প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা, মুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং শিম ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা এনামুল মিয়া বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাজারে শিম ও মুলা পাওয়া যাচ্ছে। তবে নতুন সবজির দাম তুলনামূলক অনেক কম। গত বছর একই সময়ে এসব সবজি কিনতে আরও বেশি টাকা খরচ করতে হয়েছে।

গ্রীষ্মকালীন সবজির মধ্যে ঝিঙে, চিচিঙ্গা, পটোল ও ঢ্যাঁড়স প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে করলা ও বেগুনের দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। এই দুই ধরনের সবজি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে, বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল ও চিনির সরবরাহসংকট এখনো অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে সয়াবিন তেল কিনতে ক্রেতাদের একাধিক দোকানে খোঁজ নিতে হচ্ছে। বোতলের গায়ে প্রতি লিটারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২০৪ টাকা উল্লেখ থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়।

খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, কোম্পানিগুলো তাঁদের দোকানে তেল সরবরাহ করছে না। পাশাপাশি মুনাফার পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন পাইকারি বাজার থেকে তেল সংগ্রহ করে বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে ক্রেতাদের কাছ থেকে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নিতে হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন

স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত-২০২৩-২০২৬,স্মার্ট টিভি,র ওয়েবসাইটের লেখা,ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

Developer By Zorex Zira