1. admin@alokitotv.net : admin :
মাদারীপুরে দরপত্র ছাড়াই পানির দরে আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতঘর বিক্রির অভিযোগ - সত্য ও ন্যায়ের কথা বলে
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

মাদারীপুরে দরপত্র ছাড়াই পানির দরে আশ্রয়ন প্রকল্পের বসতঘর বিক্রির অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৩ Time View

ষ্টাফ রিপোর্টার

মাদারীপুরে দরপত্র ছাড়াই পানির দরে একটি আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪০টি বসতঘর বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় তিন প্রভাবশালীর চাপে ঘরগুলো বিক্রি করতে বাধ্য হন হতদরিদ্ররা। এতে আশ্রয়হীন অসহায় মানুষগুলোর ঘর ক্রয়ের বিষয়টি স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত। আর ঘর বিক্রির কোন সুযোগ নেই উল্লেখ করে উপজেলা প্রশাসন বলছে, লিখিত অভিযোগ পেলে নেয়া হবে আইনগত ব্যবস্থা।

২০০১ সালে হতদরিদ্রদের জন্য মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চরগোবিন্দপুরে একটি গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ করে তদানিন্তন সরকার। লোহার অ্যাঙ্গেলের কাঠামোর ওপর টিনের ছাউনি ও বেড়া দিয়ে তৈরি করা হয় উক্ত ঘরগুলো। চারপাশের ভিত্তি পাকা থাকলেও মেঝে ছিল মাটির। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় ঘরগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তাই সেখানে নতুন করে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় মাদারীপুর জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে নতুন ঘর নির্মাণ কার্যক্রম শুরুও হয়ে গেছে। এই সুযোগে অসহায় মানুষদের চাপ প্রয়োগ করে পানির দরে ঘরগুলো বিক্রি করতে বাধ্য করেন খোঁয়াজপুর ইউনিয়ননের প্রভাব শালী আজিজুল আকন, নজরুল সরদার, জাকির হোসেন নামে তিন ব্যক্তি, যদিও উক্ত ঘরগুলো সরকারী সম্পত্তি এবং সরকারী দরপত্রের মাধ্যমেই তা বিক্রি হয়ে সরকারী কোষাগারে বিক্রয়লব্ধ টাকা জমা হওয়ার কথা। ৪০টি ঘর বিক্রি করা হয় মাত্র তিনলাখ টাকায়। অনুসন্ধানে জানা গেছে,সেখানে বসবাস করা হাতেগোনা কয়েকজন ৩৭৫০ টাকা করে পেলেও বাকিরা ঘর বিক্রির বিষয়টি জানেনও না। সোমবার ৪/১১/’২৪ তারিখ সকালে ঘরগুলো অপসারনের কার্যক্রম শুরু হলে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন সেখানকার বাসিন্দারা। অন্যত্র ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন তারা। এ ব্যাপারে মুখ খুলতেও ভয় পাচ্ছেন অসহায় মানুষেরা। ঘর ক্রয়ের বিষয়টি স্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের একজন নজরুল সরদার। তার দাবি, সবার সম্মতিতেই তিনি ঘর কিনে অপসারণ প্রক্রিয়া শুরু করেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিয়েছেন মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা শাবাব।
এছাড়াও এর আগে একইভাবে চলতি বছরের মে মাসে আরো ৪০টি ঘর বিক্রি করা হয় সাড়ে তিন লাখ টাকায়। গুচ্ছগ্রামে বসবাসরত ৮০টি পরিবার বর্তমানে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও সংবাদ পড়ুন

স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত-২০২৩-২০২৬,স্মার্ট টিভি,র ওয়েবসাইটের লেখা,ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।

Developer By Zorex Zira