চাপ থাকলেও এখন পর্যন্ত ট্রেনের ভাড়া বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সড়ক ও নৌপরিবহণ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।
শেখ রবিউল আলম বলেন, রেল মন্ত্রণালয় থেকে ভাড়া বাড়ানোর চাপ রয়েছে। ভাড়া না বাড়ালে রেলের লোকসান আরও বাড়বে। গত ১০ বছর ধরে রেলের ভাড়া বাড়ানো হয়নি। তবে জনগণের প্রতি সরকারের মনোযোগ ও দায়বদ্ধতার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, এবার রেলের ভাড়া বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট চাপ রয়েছে। কারণ, ভাড়া অপরিবর্তিত থাকলে লোকসানের পরিমাণ আরও বাড়বে। তারপরও এখন পর্যন্ত ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। ভাড়া না বাড়িয়ে বর্তমান পরিস্থিতি ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই আপাতত আগের ভাড়াই বহাল থাকছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, রেলের ভাড়া না বাড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কোনো পর্যায়ে ভাড়া বাড়ানোর প্রয়োজন হলে তা যৌক্তিক হারে বাড়ানো হবে। এ মুহূর্তে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
শেখ রবিউল আলম বলেন, ভাড়া বাড়ানো কাম্য নয়। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় ছিল না। এ কারণে জনদুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সর্বনিম্ন হারে ভাড়া বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ভাড়া বৃদ্ধির নামে কোনো ধরনের নৈরাজ্য বা তেলের দাম বাড়ার সুযোগ নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ দেওয়া হয়নি।
এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিচালন ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নৌযান মালিকরা ১৫ শতাংশ ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন। তবে যাত্রীদের স্বার্থ বিবেচনা করে ৭ দশমিক ৫৪ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে সর্বনিম্ন ভাড়া ৩২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত-২০২৩-২০২৬,স্মার্ট টিভি,র ওয়েবসাইটের লেখা,ছবি,ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করা দন্ডনীয় অপরাধ।
Leave a Reply